Sunday, 25 September 2022

কবিতার মালা || রুমা তপাদার

 

                                                                               রুমা তপাদার 


বলো শ্রুতি                                                                                                                             

খোলা আকাশের নীচে খোলা সিঁড়ি সেই প্রথম প্রদান ভাষা-শব্দ
বলো শ্রুতি ফিস-শব্দ,
চাঁদের আলোর দিকে তাকিয়ে থেকেছি অনিঃশেষ
কী বলি এ রাত্রে শুনি প্রথমতম মাধুর্য 
সেই কণ্ঠ সেই স্বর সব ঘুম ছেড়ে যাচ্ছে
ছুঁয়ে যাচ্ছে শ্রী-মোক্ষম পূর্ণ নিশ্বাস 
এক ধাপ এক ধাপ আমি এগিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি 
পূর্ণিমা হেসেছে যেই 
চাঁদের অতলে তলিয়েছি সেই ঘোর ঘোর ভাব
পিছনের দিকে এক ধাপ নেমে যাচ্ছি 
পায়ের পাতায় ততক্ষণে সমুদ্র হাজির 
হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখি নীল জল...
ঘনরাত্রি ভেদ করে আমার মুখের দিকে চাঁদ তাকিয়ে রয়েছে 
জোয়ার-টানের মতো অবিকল!




কবিতার মালা || অমিত বাগল

 

                                                                     অমিত বাগল 


প্রেমময়                                                                                                             

বাহুল্যহীন বাহু তাঁর‐--

আমারও তো ইচ্ছে করে
তাঁর হাত-ধরে 

যেন রোজ, কিছুটা কাঁদতে পারি

হাত বুঝলেনা---
তোমায় যে বন্ধন মেনেছি গো


কবিতার মালা || সোমা ঘোষ

 

                                                                          সোমা ঘোষ


আঁচ


হাতে গায়ে মুখে তাপ নিতে নিতে বেইরুট বিস্ফোরণের আঁচ পেয়েছিল ওই ছোট্ট পাহাড়ি মেয়েটা। সাদা পাঞ্জাবি কিনতে চেয়েছিল একটা গোটা জলপ্রপাত। ঘোর অমাবস্যা চোখে মেখে নাক উঁচু লোকটা বলেছিলো নীচু নাকেরা বেশিদিন টিকবে না। মাছের দিকে চোখ রেখে নীলচে চিল পেরিয়ে গেলো সমস্ত জলাশয়। ঝাঁঝালো আঁচ পেরিয়ে কবির চন্দন কাঠের বোতামের গন্ধ পাচ্ছি আমি, তুমিও কি...



কবিতার মালা || নবনীতা ভট্টাচার্য

 


                  নবনীতা ভট্টাচার্য 

নদীও নর্তকী হলে                                                                 

নদীও নর্তকী হলে দোষ কি বলো
তোমার ফ্রেমের ভেতর
যে শ্বাপদ বাস করে
তীক্ষ্ণ ফলার মত
অপলক অর্ক
মৃয়মান বিষ
লীন হয়ে গেছে, অতঃপর
নদীও নর্তকী একাকার

খরস্রোতা 

খরস্রোতা হতে হতে 
ক্লান্ত কিছু মেঘ নেমে এসে
গতি চ্যুত করে ফ্যালে

তারপর তটিনী উল্লাসে
ভাসিয়ে নিয়ে যায়। 

একদিন দাবদাহে
শুকিয়ে
খরস্রোতা খড়কুটো ধরে রাখে
তারপর প্রখর খরায়
সাময়িক বিরতি।

চিতা থেকে দূরে

যেখানে সন্ধ্যা নেমে আসে
গোধূলির পরে
চিতা কাঠ পড়ে থাকে
অপেক্ষায়! 

আমি তার থেকে
খানিকটা দূরে অবস্থান করি। 

যেদিন চন্দন সুগন্ধির বদলে
থাকবে কিছু বিশুদ্ধ জামরুল কাঠ! 

অশ্রু সিক্ত চোখ কোনোদিন
দেখবনা আর। 
 
চিতার আগুনে বিশুদ্ধ
ব্রহ্মান্ডে লীন হয়ে গেলে
তুমি এসো।




চিঠির কথা || মিতা চক্রবর্তী

                                        মিতা চক্রবর্তী 


সুপ্রিয় সুদর্শন


কেমন আছো! ভালো থাকবে এটাই চির প্রত্যাশা।


ভালোবাসার সোনালি সময় কি আমাদের কেটে গ্যাছে,সুদর্শন?জীবন নদীতে আজ শুধুই বেদনার সাম্পান।খই ফোঁটা অজস্র কথা নিয়ে কাটানো সন্ধ্যা কেমন দিশেহারা -মূক- বধির!তন্ময় চোখে উদাস দুপুরে তাকিয়ে দেখি বাসনার ভূমিতে নীল শূন্যতা।স্নিগ্ধ প্রেমের আর্শিতে অনিশ্চিত প্রহর!

চেয়ে দ্যাখো- তুলোর মেঘে ভেসে যাওয়া আর্দ্র রজনীতে ঝরছে ব্যর্থতার আরক।কত শত দেবদারু রাত এখন শুধুই স্মৃতির ফ্রেমে বন্দী।
ভাষা হারা ক্লান্ত পথিক আজ উদভ্রান্ত! পৃথিবীর রঙ্গমঞ্চে আমরা কি কেবলই নির্বোধ পুতুল?অন্তর থেকে হামেশাই লুট হচ্ছে জীবনের স্বপ্নময় প্রত্যাশা!নিজের চোখকে বিশ্বাস হয় না একদম।একই জীবনে এতোটা রদবদল? নিশ্চিহ্ন হবে কি জীবনের বেলাভূমি থেকে সমস্ত আশা?তুমি কি তবুও নিশ্চুপ -নির্বিকার থাকবে,সুদর্শন?

তবে তাই হোক--
ভেঙে যাক মায়ার বাঁধন- হারিয়ে যাক অমলিন প্রেম।বিলীন হোক হৃদয়ের ভেতরে হৃদয়ের অস্তিত্ব -অবসান হোক নাট্যশালার নিখুঁত অভিনয় -ফিরে যাই নিরেট বাস্তবতায়।যা সত্য-যা সুনিশ্চিত -উদীয়মান সূর্যের মতো-তাই সহাবস্থান করুক আমাদের জীবনে। 
ভরা জ্যোৎস্না না হয় নাই পেলাম-গহীন আঁধারে পরাজিত প্রেম একটা আশ্রয় ঠিক খুঁজে নেবে সুদর্শন!তবুও অবসান হোক মরীচিকা নিয়ে এ মিথ্যে মিথ্যে খেলা।
খুব ভালো থেকো জীবনের বাকিটা সময়। 
                                        
                                                 তোমার অনামিকা


অণুগল্প গাঁথা || তনিমা হাজরা

 

                                                            তনিমা হাজরা


অনূঢ়া দিদিমণি 


নিজের বলে ছিল নিশ্চয়ই কেউ, 
কে নইলে আগুন দিলো মুখে? কাঁদলো হয়তো তাদেরই কেউ না কেউ, প্রকাশ্যে  অথবা গোপনে। 
কাদের জন্য আনতো কিনে 
ক্ষীরসন্দেশ, রঙিন পোশাক, পুরীর লাঠি, পুঁতির মালা, কাঁচের চুড়ি, হাতের ব্যাগ,কানের পাশা।।

পোড়াতে নেবার আগে কে বলো তো অতীব সাবধানে, হাতের থেকে খুলে নিলো তার মকরমুখী সাধের বালা, প্রবালের আঙটি, গলার চেন।।
কারা সব বুঝে নেবে ব্যাংক একাউন্ট, পাসবই আর টাকা কড়ি, 
তারপর ঠিক কতদিন তারা মনে রাখবে, কতদিন বাদে ভুলে গিয়ে মজে যাবে নিজস্ব সংসারে??  

তারা সব বেগুনি দেওয়ালে টাঙাবে কি তার ছবি, যার পেছনে এসে আশ্রয় নেবে নির্ঘাত কোনো পাটকিলে অনাথ  টিকটিকি, কতদিন বাদে ঠিক ক্লান্ত হয়ে ঝুরোঝুরো হবে রজনীগন্ধার মালাটি, জমে যাবে তাতে না ঝাড়া স্বাভাবিক ঝুল।। 

 প্রকৃতি নির্দিষ্ট যে স্তন দুটো
 অযথা মাংস পিন্ডের মতো শুধুমাত্র গাণিতিক ভুল,  একবিন্দু  দুধ জমে নি তাতে, কর্কট রোগ জমিয়ে দখল নিলো সেই  বাড়া ভাতে, যন্ত্রণাকে কি বলে সে তাড়াতো বল তো একা একা, হ্যাট যা বলে? ঠিক যেমন করে যত্নে খেয়ে তাকে তাড়িয়েছিলো তার সেই সাধের প্রেমিক পুরুষ, ঠিক তেমনই।।

স্কুলের যত ছোট্ট ছোট্ট ছেলেমেয়ে,
 গোল করে ভিড় করে ঘিরে,হাসিখুশি, দিদিমণি, ধমকায়, মারে, কোলে তুলে নেয়,লজেন্স দিতো, চুমু নিতো নিজের গালে।।

 প্রথম প্রথম মা কে ছেড়ে আসা  শিশুশ্রেণী বাচ্চাটির মুছে দিতো  কান্নার জল, নাকের, চোখের, 
হিসির পরে প্যান্টের চেন দিতো এঁটে,
টিফিন খাইয়ে দিতো জোর করে ।। 
এসব কাজের কোনো বাড়তি মাইনে ছিল না  সরকারী স্কুলে........

তবে কেন গো এসব কাজ
অনূঢ়া দিদিমণি,  অযথা ভরাট বুকে যার তিলার্ধ দুধও জমেনি, সবটুকু গুপ্ত স্নেহ তার, ঠুকরে ঠুকরে খেয়ে  ছিবড়ে করে ছেড়ে  দিলো  কে??

সে কি সেই ধড়িবাজ কর্কট রোগ,
নাকি এই মারীচের মতো মায়াবী সংসার?? 




অণুগল্প গাঁথা || তনুগাত্রী পণ্ডিত

 

                                                                    তনুগাত্রী পণ্ডিত


সামনে পিছনে

সকাল ৬টা নাগাদ ঘুম ভেঙে গেল সোমার ।পাশে শুয়ে অনিল। ওর গায়ে জামা নেই। তাতেও ফোঁটা ফোঁটা ঘাম জমেছে। গত রাতে গরম ছিলো খুব। বর্ষাকাল হলে কী হবে? বৃষ্টির নাম গন্ধ নেই। রান্নার তাড়া নেই আজ। দুপুরে এসে ভাত খাবে অনিল। ওর স্কুল দেড়টা নাগাদ ছুটি হয়ে যাবে। খানিকটা অন্যমনস্ক হয়ে গেল সোমা। কী রান্না করবে, আর কীই বা টিফিন বানাবে? শুধু করলেই তো হবেনা? মুখরোচক না হলে চলবে? অনিলের অবশ্য তেমন কোন বায়নাক্কা নেই। যাই দেওয়া হোক না কেন, তাই সোনা মুখ করে খেয়ে নেয়। কলিংবেল বাজতেই উঠে পড়লো সোমা। কাজের দিদি এসেছে। তার নিখুঁত সময় জ্ঞান।

ফ্রিজ খুলে সব্জির ট্রে বের করে সোমা দেখলো, ঢ্যাঁড়শ ঝিঙে কাঁকরোল রয়েছে। তিন থাকের স্টিলের ঝুড়ির মধ্যে আলু পেঁয়াজ আদা রসুন। তিল ঝিঙে করলে কেমন হয়! ঘরে তিল পোস্ত কিচ্ছুটি নেই। পোস্তর যা দাম! হাতে ছ্যাঁকা লাগে। রান্নাঘর থেকে চেঁচিয়ে অনিল কে ডাকলো সোমা - 'শুনছ, একবার চট্ করে বাজারে যেতে পারবে?' ওদিক থেকে কোন সাড়া নেই। গেল কোথায়!

ড্রয়িংরুমের সোফাতে চুপচাপ বসে রয়েছে অনিল। সোমা অবাক হয়ে বললো - 'বাজার যেতে বললাম যে? কথা কানে যায়নি বুঝি?'
-'চুপ্ করো, এখন আমি হাঁটছি'
-'মানে? বসে বসে কেউ হাঁটে নাকি? মর্নিংওয়াকে গেলেই তো পারো'
-' ওফ্, বিরক্ত কোরো না। হাঁটতে দাও। 
-' পাগল হলে নাকি? আশ্চর্য! '
মুচকি হেসে অনিল বললো -' সঠিক হাঁটার পদ্ধতি এটাই। সবাই এভাবেই হাঁটে। তুমিও হাঁটো' 
-'কী ভাবে?' 
-'সামনে পিছনে, পিছনে সামনে, সামনে পিছনে ...





অসমিয়া কবিতা মালা || রুমী লস্কর বরা


        
                                                                        রুমী লস্কর বরা




তোমাক লগ পোৱাৰে পৰা 

তোমাক লগ নোপোৱা হ’লে 
বুজিকে নাপালোঁহেতেন 
প্ৰেমৰ বাবে কোনো কাল নাথাকে 
নাথাকে কোনো ব্যাকৰণ 

তোমাক লগ নোপোৱাহ’লে 
কেনেকৈ জানিলোহেঁতেন 
জীৱন নৈৰ সোঁত 
উভতিও ব’ব পাৰে ৷

মনৰ নিজানত বাৰমাহে 
ব’হাগে হাঁহে 
মনাকাশত অবিৰত 
ৰামধেনু জিলিকে 
আৱতৰত ময়ুৰে পেখম ধৰে ৷

তোমাক লগ পোৱাৰে পৰা
(মোৰ ) বুকুৰ বাগিছাত 
এন্ধাৰৰ প্ৰৱেশ নিষেধ 
য’ত তোমাৰ বজ্ৰ পদক্ষেপ ৷

অবিৰাম ৰ’দে খেলে 
জোনাকে হাঁহে 
তুমি যে দিলা জীয়াই 
থকাৰ দুৰ্বাৰ শক্তি 
শিকালা গৰলকো 
হাঁহি হাঁহি পিব পৰা গুপুত মন্ত্ৰ
দুহাতত তুলি দিলা বজ্ৰাস্ত ৷

তোমাৰ আগমনেই বুজাই আছে 
এখনেই নৈ আছে 
আছে এখনেই সাগৰ কিম্বা 
মহাসাগৰ 
যাৰ পকনীয়াত পৰাৰ
মাদকতা আছে ৷

যাৰ অভেদ্য গভীৰতাৰ আছে 
অনন্য আমেজ ,
তুমি ন’হা হ’লে কেনেকৈ বুজিলোহেতেন ?
প্ৰকৃতিৰো আছে সীমাবদ্ধতা 
কাৰণ ,,,
(মোৰ ) মনৰ প্ৰকৃতিত 
শৰৎ ,বসন্তৰ খলকনি 
সমাহাৰ ,সমাগম 
বৃন্দাবন 
নন্দনকানন
য’ত আজীৱন 
তোমাৰেই অৱস্থিতি ৷




অসমিয়া কবিতা মালা || ডা: রাজীব ভট্টাচার্য


                                                                 ডা: রাজীব ভট্টাচার্য



অ’ মোৰ প্ৰাণপখী

াৱৰৰ ৰাগিণী হৈ উৰি ফুৰা তোৰ মাতত
হিয়ালিজিয়ালি হ’ল গোটেই আকাশখন

মাজৰাতি
 এভাগ আকাশ হৈ উৰি যোৱা তোৰ মাতটো
 মোৰ বুকুতো সিঁচিদেহিচোন আহ সিঁচিদে

চিৰাচিৰ হওঁক মোৰ বুকু

মোৰ তেজে-সিৰে মিলকহি তোৰ মাত
তাতে নিজৰিকাপটো তিয়াই দুশাৰী কবিতা লিখো

তিতা তিতা
ভিজা ভিজা
দুখৰ অমলিন স্মৃতিবোৰ ধোওঁ

তোৰ মাতৰ মৌ কাতৰতাত
মুঞ্জৰী উঠে মোৰ মৃত্যু-গীতৰ স্বৰলিপি

কৰুণ
কোমল
গান্ধাৰ

ৰিণি ৰিণি কাকলিত
চিৰিংকৈ উঠে বুকু
মৰো নে জীওঁ যেন লাগে অ’

এন্ধাৰ
ধূসৰ
পোহৰ

তোৰ মাতটোত
মোৰ নীল উশাহৰ বাটটো দেখো

নিঃস্ব
কৰুণ
নিৰ্মল
মেলানি বাণী এধাৰি

অ’ কেতেকী
আকাশ শূন্যতাত উৰিফুৰা
কাতৰতাত জী থকা
তই আকুল বাঁহী এটি
তপত চকুলো দুধাৰি
অ’ মোৰ প্ৰাণপখী




ইংরাজি কবিতা মালা || Rina kansabanik

                   

                                                   Rina kansabanik




I am basterd


I can give easily
The taste of my lips 
Soft and succulent. 

I can give easily 
Two kingdoms 
Without bloodshed.

I am a girl  in jungle
I am basterd 
So what!

Take me to the Paradise 
Of your Heart 
Where love resides and lives.

I am basterd ;

So what!


ইংরাজি কবিতা মালা || Santosh Mahaldar

 


                                                               Santosh Mahaldar



The Daughter of the Earth

       

It is dead night, the poet is now sleeping.

Oh dear pain, you take shelter in my body.

She is a sick rose who desires some rain.

The cuckoo birds of dawn are calling,

now open your eyes.


The plants are dancing once again,

The white Hawthorne of spring is blooming, 

They yearn for your delicate touch,

Get well soon! the daughter of the earth.





ইংরাজি কবিতা মালা || Paulami Mitra

 

                                                                    Paulomi Mitra




Colours


Silent Bliss of Flying colours,
Essence of peace in the sky,,
Divinity of Soul haunts the realm of life!
Yet too far to go to cherish moments!!

Loving beauty of peace,
Silently whispering the rhythm,,
Assembly of harmony to eternity!
The journey for immortality!!
Deep inside the heart,
Feeling of being alone,,
Who is there to hold the arms!
To feel the vibes of colours!!

To be with you,
To be in you,,
Glimpse of the sunset!
Loving the beauty of darkness!!
Too eminent to look,
Oh! The lovely eyes,,
And see! Magical tears are gone!
'My Soul' has come again to me!!
Again the day to celebrate,
When aging with time,
Smell of 'Gulal' touched the Soul!
To be happy for each day of love!!


Escape from Death

Let me decide my own life with peace,
I can create magic of rythmic love,,
I want to dance like an angel,
And when its just under your arms,
Its just a recollective senses of reminiscence,
And I need you to be my 'Hero' for ages.....

To the diversity from space,
To create moments of eternity,,
Journey to ourselves from 'You',
Just to be safe in calamity?????
Not that need,I worshipped for, 
And suddenly 'You' came to me,
When I was waiting to welcome 
'Death' in the verge of happiness!!
But you made me feel to enrich,
A 'Life Line' which is beyond this World,
And where now, I am living 'You' inside me to breathe heavenly !!


Star

When the silence of dark night 
is just engrossing 
the beauty of blue moon,
When the delightful smile of moon 
is playing hide and seek
with the sleeping phoebus Apollo,
When the Daystar is tired
with His blazing Warmth,
When the Rays slipped tears 
silently in a whirling motion,
Yet His joy is on the Rights,
devoting Himself only to the mind....
that is in the soul....
The day will come when sin will be free,
to please Almighty on this Earth.....
To make Him happy in this Universe
slowly , gently and densely!!!!!